ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

Spread the love

ইমরান তালুকদার:

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ২৬ মার্চ জাতীয় দিবসে যুক্তরাজ্যের পূর্বলন্ডনের আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনার বেদীতে ৭১”র শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুলের শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করা হয়।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধান্জলি ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে পরে শহীদমিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা ও আবৃত্তি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও বাংলামিরর নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা পোস্টের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও এবিসি বাংলা নিউজের সম্পাদক, ব্রিজ বাংলা২৪ এর সাব-এডিটর আব্দুল বাছির।

এ সভায় কবিতা আবৃত্তি করেন- ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির এসিসটেন্ট সেক্রেটারী কবি আসমা মতিন, অর্গানাইজিং এন্ড ট্রেনিং সেক্রেটারী, বাংলা ভিউ রিপোর্টার জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি, জে টাইমস টিভির সংবাদ পাঠক ও সংগঠনের সদস্য দীপা হক ।

আলোচনায় অংশ নেন— কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আহবাব হোসেইন, জগন্নাথপুর টাইমস এর সম্পাদক ও সংগঠনের সাবেক সভাপতি, অধ্যাপক সাজিদুর রহমান, সংগঠনের সাবেক ট্রেজারার মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, সংগঠনের বর্তমান ট্রেজারার ইউকে বাংলা গার্ডিয়ানের নির্বাহী সম্পাদক মির্জা আবুল কাসেম, এসিসটেন্ট সেক্রেটারী ও চ্যানেল এনআরবি ইউকের সম্পাদক এ রহমান অলি, ফটোসাংবাদিক নাহিদ জায়গীরদার, গীতিকার শেখ মোফাজ্জল হোসেন, শফিক আহমদ রাজিব ও সার্জেল আহমদ প্রমুখ।

এ আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয়, গৌরবোজ্জ্বল দিন।
১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে যুক্ত হয়েছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের নাম। এটি কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্মদিন নয়—এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার দিন, একটি দীর্ঘ সংগ্রামের চূড়ান্ত ঘোষণা।

বক্তারা আরো বলেন- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ বাঙালির অস্তিত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। “অপারেশন সার্চলাইট”-এর সেই বিভীষিকাময় রাত বাঙালিকে দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং সেই অন্ধকার থেকেই জন্ম নিয়েছিল প্রতিরোধের আগুন। ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় মুক্তির চূড়ান্ত লড়াই। তৎসময়ে ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকবাহিনী কর্তৃক বাঙালি গণহত্যার বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আজও হয়নি। আমরা এ গণহত্যার দ্রুত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই।

বক্তারা বলেন- দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, অগণিত প্রাণের বিনিময়, মা-বোনের অসীম ত্যাগ—সব মিলিয়ে ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। সেই বিজয়ের বীজ বপন হয়েছিল আজকের এই দিনে। তাই ২৬শে মার্চ কেবল সূচনা নয়, এটি আমাদের চেতনার কেন্দ্রবিন্দু। যা আমরা এখন এই প্রবাসে বসবাস করে বার বার হৃদয়ের গহিন থেকে অনুভব করি।


Spread the love

Leave a Reply