বাসিন্দারা এখনও বাড়ি ফেরেননি, দমকল বাহিনীর ওপর বাড়তি চাপ
ডেস্ক রিপোর্টঃ গত ৪৮ ঘণ্টায় ১১টি বড় অগ্নিকাণ্ড এবং শুক্রবার থেকে ৪৩টি নতুন দাবানলের ঘটনায় দমকল বাহিনী “অবিশ্বাস্য চাপের” মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন একজন ঊর্ধ্বতন দমকল কর্মকর্তা।
ন্যাশনাল ফায়ার চিফস কাউন্সিলের (NFCC) ফিল গ্যারিগান জানিয়েছেন যে, যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের স্টোরব্রিজ, স্যান্ডওয়েল, পারশোর ও স্টোক-অন-ট্রেন্ট এলাকা এবং হ্যাম্পশায়ার ও সাউথ ওয়েলস।
অগ্নিকাণ্ডের কারণে যেসব বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন, তারা এখনও জানেন না কবে নাগাদ বাড়ি ফিরতে পারবেন।
স্টোরব্রিজে ৩৮টি বাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার হতাশ বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে তারা কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাচ্ছেন না, যদিও শনিবারের কোনো এক সময় বাড়ি ফেরার আশা ছিল।
ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের সহকারী প্রধান দমকল কর্মকর্তা সাইমন ব্যারি বাসিন্দাদের জানিয়েছেন যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং দমকল কর্মীরা এখন কেবল আগুনের অবশিষ্ট উত্তপ্ত স্থানগুলো (হট স্পট) ঠান্ডা করার কাজ করছেন।
তিনি বলেন, দমকল বাহিনীর মূল্যায়ন অনুযায়ী বাড়িগুলোর আর কোনো ঝুঁকি নেই এবং তিনি আশা করছেন, যেসব বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, সেসব বাড়ির বাসিন্দারা শনিবার সন্ধ্যায়ই ফিরে আসতে পারবেন।
অনলাইনে প্রচারিত এক ব্রিফিংয়ে ডাডলি কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী বালভিন্দর হেরা জোর দিয়ে বলেন, যতক্ষণ না স্পষ্টভাবে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ বাসিন্দাদের ফিরে আসা উচিত নয়।
তিনি জানান, জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে রাস্তাঘাট পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রতিটি রাস্তার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ এমন সব মানুষের কাছ থেকে তথ্য বা ভিডিও ফুটেজ পেতে আগ্রহী যা তদন্তে সহায়তা করতে পারে; পাশাপাশি তিনি জনসাধারণকে আগুনের কারণ নিয়ে কোনো ধরনের জল্পনা-কল্পনা না করার আহ্বান জানান।
ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় অনুদান সংগ্রহের জন্য কাউন্সিলের পক্ষ থেকে একটি অনলাইন তহবিল খোলা হয়েছে।