যুক্তরাজ্যের কোনো আইনি বাধা নেই, তবু কেন প্রবাসীদের বাংলাদেশ হয়ে হজে যেতে হবে?
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করেছেন প্রায় ৮৭ হাজার মানুষ। অর্থাৎ প্রায় ৪০ হাজার হজের স্থান অব্যবহৃত ছিল।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী অনেক বাংলাদেশি অত্যন্ত ব্যয়বহুল হজ প্যাকেজ ও সীমিত সুযোগের কারণে হজ বুকিং করতে সমস্যায় পড়েন। তাঁদের অনেকেই দ্বৈত নাগরিক অথবা বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের অধিকারী।
এসব প্রবাসীর একটি অংশ বাংলাদেশি হজ প্যাকেজে নিবন্ধন করতে আগ্রহী। কারণ বাংলাদেশি প্যাকেজ তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হজ করার সুযোগ পাওয়া যায় এবং বাংলায় ধর্মীয় দিকনির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া সম্ভব হয়।
কিন্তু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—বাংলাদেশি হজ প্যাকেজে নিবন্ধিত একজন প্রবাসীকে কি অবশ্যই বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে সেখান থেকে সৌদি আরব যেতে হবে? নাকি বৈধ হজ ভিসা, সঠিক নিবন্ধন ও অনুমোদিত ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি তাঁর বসবাসের দেশ থেকেই সরাসরি সৌদি আরব যেতে পারবেন?
বিষয়টি বোঝার জন্য ধর্মীয় বিধান, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের ভ্রমণব্যবস্থা, বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা এবং হজ এজেন্সির প্রশাসনিক দায়িত্ব—সবকিছু আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এটি কোনো ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা নয়
বাংলাদেশি হজ প্যাকেজে নিবন্ধিত হওয়ার কারণে একজন মুসলমানকে অবশ্যই বাংলাদেশ থেকেই হজযাত্রা শুরু করতে হবে—এমন কোনো ইসলামী বিধান নেই।
হজযাত্রীকে তাঁর ভ্রমণপথ অনুযায়ী নির্ধারিত মিকাত অতিক্রম করার আগে ইহরাম গ্রহণ ও হজের নিয়ত করতে হয়। কোন দেশ থেকে বিমানযাত্রা শুরু হয়েছে, শুধু তার ওপর হজের বৈধতা নির্ভর করে না।অতএব, যুক্তরাজ্য থেকে সৌদি আরব যাওয়া ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ নয়। বাংলাদেশ থেকে যাত্রা করা হজের কোনো ধর্মীয় শর্তও নয়। প্রয়োজন হলো বৈধ হজ ভিসা, যথাযথ অনুমোদন এবং মিকাত ও ইহরামের বিধান সঠিকভাবে পালন করা।
কেউ বৈধ পাসপোর্ট, হজ ভিসা ও অনুমোদিত কাগজপত্র ব্যবহার করে প্রকাশ্যে ভ্রমণ করলে তাঁকে প্রতারক বলা অথবা তাঁর হজের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করা দায়িত্বশীল আচরণ নয়। সুতরাং এটি মূলত ধর্মীয় সমস্যা নয়; এটি প্রশাসনিক ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার বিষয়।
যুক্তরাজ্য থেকে যাত্রায় সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নেই
একজন দ্বৈত ব্রিটিশ–বাংলাদেশি নাগরিকের সৌদি হজ ভিসা যদি তাঁর বাংলাদেশি পাসপোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, তাহলে সৌদি আরবে প্রবেশের জন্য সেই পাসপোর্ট ব্যবহার করা স্বাভাবিক। আবার যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার সময় তিনি তাঁর ব্রিটিশ পাসপোর্ট ব্যবহার করতে পারেন।
প্রয়োজন অনুযায়ী বিমান সংস্থা ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে উভয় পাসপোর্ট দেখানো হলে এতে পরিচয় গোপন করা বা ভুল তথ্য দেওয়ার প্রশ্ন আসে না। একই ব্যক্তির দুটি বৈধ পাসপোর্ট ব্যবহার দ্বৈত নাগরিকদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণে অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে এমন কোনো সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নেই যে একজন দ্বৈত নাগরিককে হজের উদ্দেশ্যে অবশ্যই ব্রিটিশ পাসপোর্ট ব্যবহার করে দেশত্যাগ করতে হবে। তবে তাঁকে গন্তব্য দেশের ভিসা ও পাসপোর্টের শর্ত এবং যুক্তরাজ্যে পুনঃপ্রবেশের প্রয়োজনীয় সব নিয়ম পূরণ করতে হবে।
সৌদি বিধান জনসমক্ষে প্রকাশ করা প্রয়োজন
২০২৫ সালের একটি নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিগুলোর বক্তব্য হলো—বাংলাদেশের কোটায় নিবন্ধিত প্রবাসী হজযাত্রীদের বাংলাদেশ থেকেই সৌদি আরব যেতে হবে।সরকার বলছে, বিষয়টি সৌদি হজ নির্দেশনা, নিবন্ধিত দেশের তথ্য, ফ্লাইটের যাত্রী তালিকা, প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য এবং হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
কিন্তু জনসাধারণের সামনে এখনো এমন কোনো পূর্ণাঙ্গ ও সহজলভ্য সৌদি মূল বিধান প্রকাশ করা হয়নি, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:“বাংলাদেশের হজ কোটায় নিবন্ধিত প্রত্যেক হজযাত্রীকে অবশ্যই বাংলাদেশ থেকে শারীরিকভাবে যাত্রা শুরু করতে হবে।”সত্যিই যদি এমন কোনো বাধ্যতামূলক নির্দেশনা থাকে, তাহলে বাংলাদেশ সরকারের উচিত সেটির মূল আরবি কপি, অনুমোদিত বাংলা বা ইংরেজি অনুবাদ এবং প্রয়োগের বিস্তারিত জনসমক্ষে প্রকাশ করা।শুধু “সৌদি আরবের নিয়ম” বলা যথেষ্ট নয়। কোন বিধান, কীভাবে প্রযোজ্য এবং কোনো ব্যতিক্রমের সুযোগ আছে কি না—তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
অনেক প্রবাসী সরাসরি ভ্রমণ করেছেন
আমাদের জানা মতে, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত অন্যান্য দ্বৈত নাগরিকদের মতো, বাংলাদেশি হজ প্যাকেজে নিবন্ধিত কিছু ব্রিটিশ–বাংলাদেশি গত কয়েক বছরে বৈধ হজ ভিসা নিয়ে সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে সৌদি আরব গেছেন।তাঁরা সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন, বাংলাদেশি হজ কাফেলার সঙ্গে থেকেছেন, বাংলাদেশি প্যাকেজের আওতায় মিনা ও আরাফাতের কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন, হজ সম্পন্ন করেছেন এবং পরে ব্রিটিশ পাসপোর্ট ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যে ফিরে এসেছেন।
ব্যক্তিগত এসব অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রত্যেক বছর বা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য একই নিয়ম প্রমাণ করা সম্ভব নয়। তবে এগুলো অন্তত দেখায় যে সঠিক ভিসা, ফ্লাইটের তথ্য, বিমানবন্দরে গ্রহণের ব্যবস্থা এবং অনুমোদিত হজ এজেন্সির সমন্বয় থাকলে সরাসরি ভ্রমণ বাস্তবে সম্ভব হতে পারে।এ কারণেই সরাসরি ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ না করে এটিকে একটি আনুষ্ঠানিক, স্বচ্ছ ও সরকার অনুমোদিত ব্যবস্থার মধ্যে আনা উচিত।
প্রবাসীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ
যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী একজন প্রবাসী বাংলাদেশিকে বাংলাদেশ হয়ে সৌদি আরব যেতে হলে তাঁর যাত্রাপথ হতে পারে:
যুক্তরাজ্য–বাংলাদেশ–সৌদি আরব–বাংলাদেশ–যুক্তরাজ্য অথবা: যুক্তরাজ্য–বাংলাদেশ–সৌদি আরব–যুক্তরাজ্য
হজ মৌসুমে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশের বিমানভাড়া অত্যন্ত বেড়ে যায়। সময়, বিমান সংস্থা ও বুকিংয়ের তারিখ অনুযায়ী জনপ্রতি ভাড়া ২ লাখ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে।
এর সঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থান, হোটেল, খাবার, স্থানীয় পরিবহন, অতিরিক্ত লাগেজ এবং কর্মস্থল থেকে বাড়তি ছুটির খরচও যোগ হয়। স্বামী–স্ত্রী অথবা পরিবারের একাধিক সদস্য একসঙ্গে হজে গেলে এই ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে।
সব অতিরিক্ত খরচ হিসাব করলে বাংলাদেশি প্যাকেজের মোট ব্যয় অনেক সময় যুক্তরাজ্যভিত্তিক হজ প্যাকেজের কাছাকাছি চলে যায়। অথচ দুই দেশের প্যাকেজের হোটেলের মান ও দূরত্ব, পরিবহন, খাবার, মিনা–আরাফাতের ক্যাম্প এবং অন্যান্য সেবা সব সময় সমমানের নয়।
বয়স্ক, অসুস্থ অথবা শারীরিকভাবে দুর্বল হজযাত্রীদের জন্য এই দীর্ঘ যাত্রা আরও কষ্টকর। হজের মতো শারীরিকভাবে পরিশ্রমসাধ্য ইবাদতের আগে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভ্রমণ তাঁদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ক্লান্তি বাড়াতে পারে।
প্রযুক্তিগতভাবে সরাসরি যাত্রা ব্যবস্থাপনা সম্ভব
বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিক হজ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমে পাসপোর্ট, নিবন্ধন, ভিসা, ফ্লাইট, আবাসন, এজেন্সি, গাইড, পরিবহন এবং সৌদি আরবে হজযাত্রীদের সেবাসংক্রান্ত তথ্য পরিচালিত হয়।সৌদি আরবেও নুসুক মাসারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে হজ ভিসা, হজযাত্রীদের তথ্য এবং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তাই মূল সমস্যা হজযাত্রীর পরিচয় যাচাই নয়। মূল বিষয় হলো ফ্লাইটের তথ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং সৌদি আরবে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীকে গ্রহণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
অনুমোদিত বাংলাদেশি হজ এজেন্সিকে প্রবাসী হজযাত্রীর যুক্তরাজ্য–সৌদি ফ্লাইটের তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এজেন্সি সৌদি বিমানবন্দরে তাঁকে গ্রহণ, নির্ধারিত হোটেলে স্থানান্তর এবং নিবন্ধিত বাংলাদেশি কাফেলার সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা করতে পারে।
প্রয়োজনে যুক্তরাজ্যের বৈধ ট্রাভেল এজেন্সি ফ্লাইট, ডকুমেন্ট যাচাই এবং যাত্রার প্রস্তুতি পরিচালনা করবে। অন্যদিকে বাংলাদেশি হজ এজেন্সি সৌদি আরবে আবাসন, পরিবহন, মিনা, আরাফাত এবং অন্যান্য হজ সেবার দায়িত্ব পালন করবে।দুই দেশের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে একটি নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা অসম্ভব নয়।
বাংলাদেশেরও লাভ হবে
২০২৫ সালে বাংলাদেশের হজ কোটার প্রায় ৪০ হাজার স্থান অব্যবহৃত ছিল। প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশি প্যাকেজে নিবন্ধন ও অনুমোদিত সরাসরি যাত্রার সুযোগ সৃষ্টি করলে এই কোটা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এর ফলে বাংলাদেশি হজ এজেন্সিগুলো নতুন ব্যবসার সুযোগ পাবে, দেশের হজ খাতের আয় বাড়বে এবং বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও নিজ দেশের হজ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।প্রবাসীরা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দান–সদকা এবং পরিবারের সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অথচ তাঁদের বাস্তব সমস্যা বিবেচনা না করে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় ও দীর্ঘ যাত্রায় বাধ্য করা ন্যায়সংগত নয়।
নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের কর্মস্থলের ছুটি, পারিবারিক দায়িত্ব, স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং অতিরিক্ত ভ্রমণ ব্যয়ের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
প্রবাসীরা কী চাইছেন?
প্রবাসী বাংলাদেশিরা হজের নিয়ম ভাঙতে চান না। তাঁরা পরিচয় গোপন, ভুল তথ্য প্রদান অথবা অনুমোদন ছাড়া ভ্রমণ করতে চান না।
তাঁদের দাবি হলো—বাংলাদেশের হজ কোটায় নিবন্ধন, অনুমোদিত বাংলাদেশি এজেন্সি থেকে প্যাকেজ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় সব সৌদি বিধান মেনে নিজ বসবাসের দেশ থেকে সরাসরি সৌদি আরব যাওয়ার বৈধ সুযোগ।
এটি কোনো বিশেষ সুবিধার দাবি নয়; বরং আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি বাস্তব সমস্যার যুক্তিসংগত সমাধান চাওয়া।
সরকারের কাছে আমাদের দাবি
বাংলাদেশ সরকারের উচিত সৌদি বিধানের নামে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তার সম্পূর্ণ আইনগত ও প্রশাসনিক ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করা।
বিশেষ করে প্রকাশ করা প্রয়োজন:
১. সংশ্লিষ্ট সৌদি বিধান বা নির্দেশনার মূল কপি;
২. প্রবাসীদের বিদেশি ফ্লাইটের তথ্য নুসুক বা সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থায় যুক্ত করা সম্ভব নয় কেন;
৩. সৌদি বিমানবন্দরে অনুমোদিতভাবে গ্রহণের ব্যবস্থা করা হলে সরাসরি যাত্রা কেন অনুমোদন করা যাবে না।একই সঙ্গে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সরাসরি যাত্রাব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।
শেষ কথা
হজযাত্রা নিরাপদ, বৈধ ও সুশৃঙ্খল রাখা বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু বৈধ হজ ভিসা, অনুমোদিত এজেন্সি, সঠিক ডিজিটাল তথ্য এবং সৌদি আরবে গ্রহণের ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও প্রত্যেক প্রবাসীকে বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে সৌদি আরব যেতে বাধ্য করা তাঁদের ওপর অপ্রয়োজনীয় আর্থিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি করে।সমাধান অনিয়ন্ত্রিত বা গোপন ভ্রমণ নয়। সমাধান হলো একটি স্বচ্ছ, বৈধ এবং সরকার অনুমোদিত সরাসরি ভ্রমণ ব্যবস্থা।হজের জন্য বাংলাদেশ থেকে যাত্রা করা কোনো ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা নয়। যুক্তরাজ্য থেকেও বৈধ কাগজপত্র নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার ওপর সাধারণ কোনো যুক্তরাজ্যীয় নিষেধাজ্ঞা নেই।
লেখকঃ মাওলানা আনিসুর রহমান
সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি, বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ
ম্যানেজিং ডিরেক্টর, জিয়ারাহ হজ ও উমরাহ সার্ভিসেস
ziyarahuk@gmail.com