লন্ডন হাইকমিশনের ওয়েবসাইটে ঝুলছে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ছবি
ডেস্ক রিপোর্টঃ বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশনা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তার মানে আপাতত সরকারি অফিস ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে রাষ্ট্রপতির কোনো ছবি থাকবে না। দূতাবাসগুলোর ওয়েবসাইটেও ছবি থাকবে না। কিন্তু সব দেশের মিশনের ওয়েবসাইট থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানো হলেও লন্ডন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এখনও ঝুঁলছে প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের ছবি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্দেশনায় বলা হচ্ছে, সরকার প্রধানের ছবি যেখানে নেই, সেখানে প্রেসিডেন্টের ছবি থাকার দরকার কী! তবে কোনো লিখিত আদেশ নয়, টেলিফোনে বলা হচ্ছে- ছবি নামিয়ে ফেলতে।
অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, এক বছর তো গেল। এতদিন এই ছবি নামানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি কেন। অভ্যুত্থানের নায়কেরা বরাবরই প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের পক্ষে মত দিয়ে আসছেন, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। সাংবিধানিক সংগঠনের অজুহাত দিয়ে বিএনপি তাকে দায়িত্বে বহাল রেখেছে। অতচ অভুত্থানের পর বাংলাদেশে সংবিধান অকার্যকর হয়ে পড়েছে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সময় সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে গেছেন। কারণ তিনি কারোর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি।যদি তাই করতেন সংবিধান বহাল থাকতো। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার জনগণের সরকার। একটা অলিখিত সংবিধানে চলছে সরকার। এখানে সাংবিধানিক সংকটের অজুহাতে রাষ্ট্রপতিকে বহাল রাখা অনর্থক মূখ্যতা ছাড়া কিছুই নয়। যেহেতু জনগণ অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বসিয়েছে ,জনগণ চাইলে রাষ্ট্রপতিকেও সরাতে পারে। একটা গণভোটের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা যেতে পারত।