লাইভ রিপোর্টঃ খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার, দাফন করা হবে স্বামীর কবরের পাশে
লাইভ রিপোর্টঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বুধবার জোহরের নামাজ শেষে ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় বেলা দুইটায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিসেস জিয়ার জানাজা সম্পন্ন করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জানাজা শেষে সংসদভবন এলাকাসংলগ্ন জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকেল আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে মিসেস জিয়ার দাফন সম্পন্ন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এক্ষেত্র সাধারণ জনগণ জানাজায় অংশ নিতে পারলেও দাফনের সময় তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এছাড়া জানাজায় অংশ নেওয়ার সময় কোনো ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন করা যাবে না বলেও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়ার কবরের জায়গা দেখতে জিয়া উদ্যানে বিএনপি’র প্রতিনিধি দল

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরের জায়গা দেখতে জিয়া উদ্যানে গেছে বিএনপি’র প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার বিকেলে তারা সেখানে গিয়ে জায়গা নির্ধারণ করে কবরের মাপ নেয়।
বুধবার দুপুরে জানাজা শেষে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে মিসেস জিয়াকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

ছবির উৎস,BD Ministry of Public Administration
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সেইসঙ্গে, সরকারের পক্ষ থেকে বুধবার যে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে সেটিরও প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার দুপুরে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার থেকে দোসরা জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
উক্ত তিনদিন বাংলাদেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিতসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে যে, ৩১শে ডিসেম্বর সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
তবে জরুরি সেবা ও হাসপাতাল এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।
সেইসঙ্গে, ব্যাংকের কার্যক্রমের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী গাড়ির নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ১০ হাজার পুলিশ: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

বুধবার দুপুরে জানাজার আগে খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে নেওয়া হবে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।
সেখানে নেওয়ার সময় মিসেস জিয়ার মরদেহবাহী গাড়ির নিরাপত্তায় ১০ হাজার পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য মাঠে থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেনাবাহিনীর সদস্যও দায়িত্বে থাকবেন বলে জানান তিনি।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মি. আলম।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনের পুরো প্রক্রিয়াটি পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান।
“খালেদা জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও কূটনীতিকেরা উপস্থিত থাকবেন। কিছুদিন আগে সংসদ ভবন এলাকায় বড় একটি জানাজা হয়েছে। খালেদা জিয়ার জানাজা আরও বড় আকারে হবে। সে আলোকে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে,” বলেন মি. আলম।
খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান বিএনপির

বুধবার দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনের সময় শান্তি শৃঙ্খলা ও ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি।
মঙ্গলবার দুপুরে দলের পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আহ্বান জানান।
জানাজা ও দাফনকে সামনে রেখে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু করে ফার্মগেট ও মিরপুর রোডে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সরকারের পক্ষ থেকে সকল রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা প্রতিপালন করা হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।
খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনের সময় জানাল সরকার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বুধবার জোহরের নামাজ শেষে ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় বেলা দুইটায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিসেস জিয়ার জানাজা সম্পন্ন করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জানাজা শেষে সংসদভবন এলাকাসংলগ্ন জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকেল আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে মিসেস জিয়ার দাফন সম্পন্ন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এক্ষেত্র সাধারণ জনগণ জানাজায় অংশ নিতে পারলেও দাফনের সময় তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এছাড়া জানাজায় অংশ নেওয়ার সময় কোনো ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন করা যাবে না বলেও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলন ও জাসদের শোক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় শোক প্রকাশ করেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
“দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আজ তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল,” বলেন মি. ইসলাম।
একইভাবে, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিও এক বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক শোকবার্তায় বলা হয়েছে, “এরশাদের সামরিক শাসন বিরোধী ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ৯০-এর গণ অভ্যুত্থানে আপসহীন ভূমিকা পালনের জন্য বেগম খালেদা জিয়া চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।”
-
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জিএম কাদের শোক

খালেদা জিয়ার মৃত্যতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
মঙ্গলবার এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রতিনিধি ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা ও বহুদলীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন”।
“তার মৃত্যুতে দেশ একজন প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল, যা সহসাই পূরণ হবার নয়,” লিখেছেন তিনি।
খালেদা জিয়ার প্রতি কংগ্রেসের শ্রদ্ধা, শোক প্রকাশ রাহুলের
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতীয় ন্যাশানাল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন।
তিনি লিখেছেন, “ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে, আমি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি। তার দীর্ঘ জনজীবনে, তিনি দেশের রাজনৈতিক যাত্রা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার পরিবার, সমর্থক এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।”
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দলটির সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেও।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার ঘোষণা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক পালনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার থেকে টানা তিন দিন সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়টির জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মিসেস জিয়ার মৃত্যুতে তিনদিনে যে রাষ্ট্রীয় শোক সরকার ঘোষণা করেছে, সেটির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে নিয়েছে বলে জানানো হয়।
বিএনপির চেয়ারপারসনের আত্মার শান্তি কামনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ছাড়াও সকল হল, হোস্টেল ও আবাসিক এলাকার মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণের সুবিধার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবহনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা, যিনি জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য: তারেক রহমান

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে তারেক রহমান।
“অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপোষহীন নেত্রী” উল্লেখ করে নিজের ভেরিফায়েড পেজে একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে”।
খালেদা জিয়া বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরো লিখেছেন, “তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস, সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে”।,
খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকবার্তা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
“গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে,” বার্তায় বলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
মিসেস জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে তার জন্য প্রার্থনা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শেখ হাসিনা ও জয়ের শোক

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
খালেদা জিয়া সম্পর্কে “বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদান অপরিসীম” বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই পোস্টে।
তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে সমবেদনা জানিয়ে লিখেছেন, খালেদার জিয়ার মৃত্যু “বাংলাদেশের উত্তরণের পথে এক গভীর প্রভাব ফেলবে” এবং “বর্তমানে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় একটি বড় ধাক্কা”।
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি

ছবির ক্যাপশান,বৈঠকের জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে যান দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জানাজা-দাফন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠকে বসেছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই বৈঠক শুরু হয়।
সেখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ আরও অনেকে অংশ নিয়েছেন।
খালেদা জিয়ার জানাজা-দাফন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে: আইন উপদেষ্টা

ছবির ক্যাপশান,দুপুরে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ব্রিফ করেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনকাজ করে ঘিরে ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
মঙ্গলবার দুপুরে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে যমুনায় আয়োজিত ব্রিফিংয়ে একথা জানান তিনি।
এ উপলক্ষ্যে দুপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সরকারের বিশেষ বৈঠক হবে বলেও জানান আইন উপদেষ্টা।
এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও এর সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিসেস জিয়াকে তার স্বামী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করার কথা রয়েছে।
বুধবার বাদ জোহর খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফন করা হবে স্বামীর কবরের পাশে

ছবির ক্যাপশান,উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও এর সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিসেস জিয়াকে তার স্বামী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
সভায় আগামীকাল থেকে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা ও আগামীকাল একদিনের সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় শোকের তিন দিন দেশের সব সরকারি আধা সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
একই সঙ্গে আগামীকাল দেশের প্রতিটি মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয় গুলোতেও আয়োজন হবে বিশেষ প্রার্থনার।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক বই খোলা হবে।
সভায় বিশেষ আমন্ত্রণে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও এর সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাকে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে।
খালেদা জিয়ার দাফন ও জানাজা সম্পর্কিত বিষয়ে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করলেন মমতা ব্যানার্জী
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা অন্যতম জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে আমি শোকাহত। আমি তার শোকসন্তপ্ত পরিবার,বন্ধুবান্ধব ও তার রাজনৈতিক সহকর্মীদের আমার সমবেদনা জানাচ্ছি।”
এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখের পাশাপাশি ২০১৫ সালে তার সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়েও স্মরণ করেছেন মি. মোদী।
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি

ছবির ক্যাপশান,জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের অর্ন্তবর্তী সরকার।
আজ দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এই ঘোষণা দিয়েছেন।
এছাড়া আগামীকাল বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষ্যে সরকার একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে বলেও জানান তিনি।
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও শান্ত থাকার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের শোক প্রকাশ

ছবির ক্যাপশান,ফেসবুকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের শোকবার্তা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার দুপুরে ফেসবুকে নিজেদের অফিসিয়াল পেইজে প্রকাশিত বার্তায় এ কথা জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
“মিসেস জিয়া তার দেশের আধুনিক ইতিহাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং তার নেতৃত্ব বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রেখেছে”, শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চীনের রাষ্ট্রদূতের শোক

ছবির ক্যাপশান,ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে চীন।
বুধবার সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে একটি শোকবার্তা পাঠান ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে মিসেস জিয়ার অবদান চীনের জনগণ শ্রদ্ধার সঙ্গে আজীবন মনে রাখবে বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়।
খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গেও চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সম্পর্কের এই ধারা বজায় রাখবে বলে জানান মি. ইয়াও।