হবিগঞ্জ পৌঁছাতে পারেনি এনসিপির শীর্ষ নেতারা, বালির ট্রাক দিয়ে বাধা, পুলিশের সাথে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের অবস্থান
ডেস্ক রিপোর্টঃ মঙ্গলবারের জুলাই পদযাত্রায় হামলার অভিযোগে বুধবার সেখানে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি।
এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে ঢাকা এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতা ও দলটির কর্মীরা হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হলেও পথে পথে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে ।
এনসিপির নেতারা জানান, বিকেল চারটার কিছু আগে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
ওই বহরে থাকা এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ”আমরা আমাদের কর্মসূচি পালন করতে যাওয়ার পথে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিন জায়গায় আমাদের আটকে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে পুলিশ দিয়ে, তারপর রাস্তায় ট্রাক আটকে চাকা পাংচার করে এবং সর্বশেষ রাস্তার ওপর ট্রাক্টর রেখে আটকে দেওয়া হয়েছে।”

এই খবর লেখা পর্যন্ত গাড়ি বহর হবিগঞ্জ ঢোকার ঠিক আগে আটকা পড়ে রয়েছে বলেও জানান মি. পাটওয়ারী।
জানা গেছে পুলিশের সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপির সাথে ধাক্কা ধাক্কি করে পুলিশ। এ সময় এনসিপির নারী নেত্রী ফাহমিদা মিতুর ঘায়েও হাত দেয় পুলিশ।
পুলিশের পেছনে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বসে আছে ছাত্রদল এমন অভিযোগ করছেন এনসিপি নেতারা।
শ্রীমঙ্গল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই গাড়ি বহর আটকে দেওয়া হয়েছিল। তারা আমাদের কথা শোনেনি। বহর শ্রীমঙ্গল পার হয়ে গেছে”।

এদিকে, এই কর্মসূচিকে ঘিরে শ্রীমঙ্গলে ১৪৪ ধারা জারি করার কারণে বিকেল সাড়ে চারটায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল এনসিপি। তবে এখনও সেখানে পৌঁছাতে পারেনি দলটির নেতাকর্মীর।
ওই বহরে রয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির সিনিয়র নেতারা।
